১) অপর সংস্কৃতি সম্পর্কে নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে অবগত করুন । এতে করে অবাঞ্চিত \”চমক\” এবং সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব হ্রাস করতে পারবেন । আপনার সঙ্গীকে তার ব্যাপারে প্রশ্ন করুন । তার সংস্কৃতিতে বিভিন্ন প্রথা ও তার নিজস্ব প্রত্যাশাগুলোর ব্যাপারে জানুন ।

২) আপনার সঙ্গীর সংস্কৃতি সম্পর্কে ভুল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করুন । একটি দম্পতি হিসেবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজেদের বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করুন এবং সেই বিশ্বাসগুলিকে সমর্থন করে এমন প্রমাণগুলি খুঁজে দেখুন । যদি প্রথা গুলি কেবল পরিবার দ্বারা আরোপিত হয় বা তার \”সমাজে এভাবেই হয়\” বলে অনুসরণ করা হয়, তাহলে ভদ্রভাবে এবং সম্মানের সাথে আপনার মতামত গুলো তার সামনে রাখুন ।

৩) দুই সংস্কৃতির ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করুন এবং যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিন যে আপনাদের সম্পর্কে কোন দিকগুলো উপযুক্ত হবে । আপনার সঙ্গীর সাথে আপনার নিজের সংস্কৃতির দুর্বলতা এবং শক্তি সম্পর্কে কথা বলুন । উভয় সংস্কৃতির কোন বৈশিষ্ট্যগুলি আপনাদের আগত পরিবারকে সুষ্ঠূভাবে পরিচালনা করতে সহায়ক হবে তা নির্ধারণ করুন ।

৪) আপোস করে এবং দুজন দুজনের সাথে সব বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলার মাধ্যমে এক অন্যের সংস্কৃতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করুন । এই কাজে বিনয় এবং সাহস লাগে । সঙ্গীর ইচ্ছা পূরণ করতে আপনাকে নিজের কিছু ইচ্ছা সাগ্রহে ছাড়তে হতে পারে । নিজেদের মধ্যের ভিন্নতা বা প্রভেদ, সমস্যা এবং সমাধান চিহ্নিত করার আগে একে অপরের কথা শুনুন ।

৫) আপনার স্ত্রী বা স্বামী যখন আপনার সংস্কৃর্তির সাথে মানিয়ে নিচ্ছে, তখন ধৈর্য্যের সাথে তাকে সহায়তা করুন । আপনি যদি আপনার স্ত্রী বা স্বামীকে ক্রমাগত সংশোধন করতে থাকেন, তখন সে আপনার সংস্কৃতিতে মানিয়ে নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে । মানুষের সবসময় পরিচিতি এবং সাফল্যের দিকে ঝোঁক থাকে; চেষ্টা করুন যাতে আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য উভয় ক্ষেত্রের অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারেন ।

৬) যেকোনো সম্পর্কে সম্মান ও ভালোবাসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । নিজেদের মধ্যেকার অমিল গুলো খুঁজে জানার চেষ্টা করুন এবং এগুলো যেন আপনাদের জন্য কোনো কিছুর অন্তরায় না হয় তার উপর বিশেষ খেয়াল রাখুন ।

সর্বক্ষেত্রে এটা মনে রাখবেন যে, আপনি আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন বলেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । তাই নিজেদেরকে ভালোমতো বুঝতে পারলেই আপনাদের ভবিষ্যৎ জীবন সফল হবে ।