১) সৌন্দর্য্যে বিবর্ণ হবে । যতটা সময় অতিবাহিত হবে, বাহ্যিক সৌন্দর্য্যে ততটাই বিবর্ণ হয়ে পড়বে । কিন্তু অর্জিত জ্ঞান বিবর্ণ হয়না । বরং, অতিবাহিত সময়ের সাথে অর্জিত জ্ঞান আরো বেশী শাণিত হয় ।

২) বুদ্ধিমত্তা আপনাকে সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে এবং আপনার বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান করতে সহায়তা করবে । সৌন্দর্য্যের কাছে এমন আশা করা বৃথা ।

৩) বুদ্ধিমত্তা আপনাকে আপনার কাজ বা যেকোনো মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রশান্তি ও সুখ প্রদান করবে । সৌন্দর্য্যে ক্ষণস্থায়ী সুতরাং এ থেকে কোনো দীর্ঘমেয়াদি আকাঙ্খা রাখা বৃথা ।

৪) বুদ্ধিমত্তা আমাদেরকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে, টিকে থাকতে শেখায় । কিন্তু সৌন্দর্য্যে তা করার ক্ষমতা রাখেনা ।

৫) বুদ্ধিমত্তার বদৌলতে আপনি আপনার প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সচেতন, আপনি জানেন আপনি কি চান, আমি অবহিত যে কিভাবে আপনার কাজটি করতে হবে, আপনার জন্য কোনটা ভাল বা খারাপ । সৌন্দর্য্যের সাথে কিন্তু নিজের বিবেক বা বুদ্ধি কে কাজে লাগানোর কোনো সম্পর্ক নেই ।

৬) বুদ্ধিমত্তা দ্বারা আপনি যেমন নিজেকে সাহায্য করতে পারবেন তেমনি অন্যদের সাহায্য করতে পারবেন । সৌন্দর্য্যে দিয়ে কিন্তু কারো সাহায্য করা যায়না ।

৭) বুদ্ধিমত্তার সাথে কিন্তু মানবিক গুণাবলী জড়িত । আপনি কিন্তু কোনো মানুষকে পছন্দ করবেন তার এই স্বকীয় বা সহজাত গুণাবলী গুলোর কারণেই । কারো বাহ্যিক সৌন্দর্য্যে আপনাকে মুগ্ধ করতেই পারে, কিন্তু তার আচার-ব্যবহার, মানবিক গুণাবলী আপনার পছন্দ না হলে মানুষ হিসেবেও কিন্তু তাকে আপনার ভালো লাগবেনা ।

৮) আপনার বুদ্ধিমত্তা সর্বদা আপনারই । কেউ পারবে না আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে । কিন্তু সৌন্দর্য্যের কোনো নিশ্চয়তা নেই ।

৯) সৌন্দর্য্যে বুদ্ধিমত্তা এবং সহানুভূতির সধর্মী নয়, কারণ বুদ্ধিমত্তা এবং সমবেদনা ছাড়া আমাদের জগৎ সংসারের কোন উদ্দেশ্য থাকবে না ।

১০) উপরে লেখা যা কিছু পড়লেন, তার সবই কিন্তু বুদ্ধিমত্তা উদ্ভূত!